জগৎ জুড়ে আগলে থাক

http://timetouchnews.com/news/news-details/45254

জগৎ জুড়ে আগলে থাক

সৈয়দা রুখসানা জামান শানু

আলতো ছোঁয়ায় স্নিগ্ধ পরশে
শারদ প্রভাতে নতুন করে
বসন্তের ওই মলিন সুরে
হাতছানি দিয়ে ডাকে ওরে।

হাসনা হেনা শিউলি ফোটা
উজালা হয়ে বিলিয়ে দিল বাসনা
যেন চুপিচুপি শারদ ভাইটির সাথে
বসন্ত বোনটির নাইয়র আসা।

শ্যামলী পল্লীর রূপের খেলা
মনের বাগানে লাগে দোলা
নীল আকাশের সাদা মেঘে
ভাসছে ওই মিতালী সুরে।

প্রণয় ব্যথা বিকেল বেলায়
ভুলতে চায় কাশবনের ইশারায়
মধ্য রাতে ভরা জোছনার জলে
প্রেমের নৌকায় মাধুরী মেখে
চোরামন প্রীতির খুশিতে
শারদ নৌকা চলে নিরূদ্দেশে।

মগ্নচিত্তে মুক্ত হাতে অষ্টমীতে অঞ্জলি
পুজোর গন্ধ ছড়িয়ে দিলো নবমী
ক্ষিপ্ত অসুরকুল হলো ভস্ম-ছাই
স্বর্গ নরকের সঠিক দীক্ষা নিও ভাই
ভালোবাসা শান্তীর বার্তা দেবীর অমূল্য দান
জগৎ জুড়ে আগলে থাক এর সন্মান।

১৬/০৭/২০১৭খ্রি:
বাংলা-বঙ্গ সাঁকো কার্যালয়, সৈয়দপুর।

October 17, 2018

By  Syeda Rukhsana Zaman Shanu

বিশৃঙ্খল দুর্বোধ্যতায় নিমগ্ন

http://timetouchnews.com/news/news-details/45098

বিশৃঙ্খল দুর্বোধ্যতায় নিমগ্ন //

সৈয়দা রূখসানা জামান শানু

অন্তর্লোকে থেকে টানো তুমি সর্বগতি
হিন্দু-মুসলিম বানাও সবাইকে জেহাদী
লন্ডভন্ড করে জীবনকে দাও ফাঁকি
কাঠিন্য এ কাজে ব্যস্ত দিবারাত্রি

তোমার পুষ্পপত্র সবি ক্লোরোফিলের অভাবে
ফিকে হলুদ হয়ে ঝড়ে পড়ছে
সাথীফসল সংকট উজিয়ে এনেছে উদ্ভাস
এ অবলোকনেও তোমার নেই বিশ্বাস

তুমি বিশৃঙ্খল দুর্বোধ্যতায় এতটাই নিমগ্ন
দুচোখে দেখনা মায়াময় সবুজের স্বপ্ন
কে ঠেকাবে নৃশংস-ধবংসকর্ম
ব্যস্ত যে সবাই নিয়ে রাজধর্ম

০৩/১০/২০১৮খ্রি: সাহিত্যাঙ্গন বাংলাদেশ

October 14, 2018

By Syeda Rukhsana Zaman Shanu

ইতিহাস আছে নিজস্ব শৈলীতে

http://timetouchnews.com/news/news-details/44965

ইতিহাস আছে নিজস্ব শৈলীতে //

সৈয়দা রূখসানা জামান শানু

ঘুমন্তদের জাগিয়ে ক্ষণে ক্ষণে রসিকতা
বিপথগামীর লেবাসে কষ্ট দিয়ে বিলাসিতা
থরে থরে সাজানো কখনও মেশিনগান
খেলনা পিস্তলের ভীড়ে কখনও স্টেনগান
সবগুলো ইতিহাস আছে নিজস্ব শৈলীতে
শরতের অপরুপ বর্ননার অনাকাঙ্খিত ঢঙে।

শহর গ্রাম আতঙ্ক বিস্ফোরণের শব্দে
লুটেরাদের লুটের টাকায় উৎসব চলে
অসহায়রা ভীত তিতলি হারিকেনের হুংকারে
খাবার জোগাড়ে বেলা যায় গড়িয়ে
অথচ শোভা যাত্রায় কত রঙের মাত্রা
কার র‌্যালী কাকে ডিঙিয়ে করবে যাত্রা।

রোদের পিপাসাতে আগুন-পানি নির্বাক
রাস্তার দুধারে দাঁড়িয়ে হাজারো হতবাক
অবলীলায় সময় খুন হয়ে যায়
অথচ জনতার ঢল জনপ্রতিনিধির অপেক্ষায়
ভীড়ের আগুনে পিষে অজান্তে আহুতি
নিমিষেই ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল দেহখানি।

১০/১০/২০১৮খ্রি: সাহত্যিাঙ্গন বাংলাদশে

October 11, 2018

By syeda Rukhsana Zaman Shanu

বয়স নঙর করিল মুরুব্বীর দরজায়

http://timetouchnews.com/news/news-details/44915

বয়স নঙর করিল মুরুব্বীর দরজায় //

সৈয়দা রূখসানা জামান শানু

মনে হয় এইতো সেদিনের কথা
এসএসসি,এইচ এসসির সফলতা
তারপর তৈরী হলো যুদ্ধ আগামীর
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির
লম্বা সিরিয়ালে
অবশেষে ঘ’ ইউনিটে
এরপর বিস্তর বিহবলতায়
একরাশ বেলি ফুলের মালায়
মাটির গহনা আর লাল পেড়ে শাড়ী
দুব্বা ঘাসের চিকন শরীরে গড়াগড়ি
কখনও বকুল তলায় কখনও মধুর ক্যান্টিনে
গল্প কবিতা আর গানের আসরে
কখনও বলাকায় সিনেমা দেখা
আবার তিন’শো ফিটে ঘুরতে যাওয়া
বছরের পর বছর কেটে কেটে গেলো
অনার্স, মাস্টার্স শেষ হলো
শুরু হলো ইর্ন্টশিপের প্রতিযোগিতা
কে করবে কতটা
এটা প্রশিক্ষণ সেটা প্রশিক্ষণ
সময়টা গেল সবঅঙ্গনে বিসর্জন
ট্রেনিং-এ প্রথম স্থান অধিকার করে
শূণ্যতার বঞ্চনাই ট্রেনিং শেষে
দীর্ঘ এ শিক্ষিত এ জীবনে
অবশেষে ক্লান্ত মনে অভিজ্ঞতার খাতায়
অর্ন্তজলে ভেসে গিয়ে বয়স নঙর করিল মুরুব্বীর দরজায়।

০১/১০/২০১৮খ্রি:, সোমবার, ৩টা ১০মিনিট। সাহিত্যাঙ্গন বাংলাদেশ।

october 10,  2018

By Syeda Rukhsana Zaman Shanu

সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে বেঁচে আছেন আলোকিত মানুষ ফাদার ডক্টর র্জজ ম্যানুয়েল

http://timetouchnews.com/news/news-details/44869

 

সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে বেঁচে আছেন আলোকিত মানুষ ফাদার ডক্টর র্জজ ম্যানুয়েল

জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে সমাজে সভ্যতার যে বিকাশ ঘটে। তার জলন্ত প্রমান মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা সহমর্মিতা। সব কিছু মিলিয়েই জ্ঞান অর্জনের পূর্ণতা। আর এসবের মাধ্যমেই আলোকিত মানুষ তাঁর সৃজনশীল কর্মের মধ্য দিয়েই বিশ্বকে জয় করেন। ছড়িয়ে যান ব্যাপক জনগোষ্ঠীর মাঝে নিজের অর্জিত সবটুকুই আলো। এসব মানুষ চাওয়া-পাওয়ার কোন হিসাব রাখেন না। মানুষের জন্য নীরবে কাজ করতেই পছন্দ করেন। মহান সৃষ্টি কর্তা মানুষকে দুটি জিনিসের সমন্বয়ে সৃষ্টি করেছেন। একটি হলো মানুষের বাহ্যিক দেহ এবং অপরটি হলো আত্মা। নিরবচ্ছিন্নভাবে মানুষের কল্যাণের জন্য, মানুষের মঙ্গল সাধিত হওয়ার জন্য সৃজন সাধনা করে গেছেন উত্তর দিনাজপুরে এক প্রাণ পুরুষ। সেই প্রাণ পুরূষ হচ্ছেন ফাদার ডক্টর র্জজ ম্যানুয়েল।
তিনি তামিলনাডুর কন্যাকুমারীতে জন্ম করেন এবং সেখানেই বেড়ে উঠেন। তরুণ বয়সে ফাদার হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন এবং কলকাতায় মাদার ট্যারিজার মিশনারিজ অব চ্যারাটিতে যোগদান করেন। পরবর্তীতে রায়গঞ্জ মিশনে ফাদারের দায়িত্ব গ্রহন করেন। ছোট বেলা থেকেই মানুষের জন্য কিছু করার অদম্য স্পৃহা তাঁর মাঝে কাজ করছিল। রায়গঞ্জ মিশনে থাকাকীলন সময় তাঁর ইচ্ছা ছিল অসহায় বয়স্ক মানুষদের জন্য বৃদ্ধা আশ্রম খোলার। এ ভাবনা থেকেই তিনি রায়গঞ্জ মিশনে ফাদারের দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দিয়ে চলে আসেন পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুরে, সুভাসনগর চোপড়ার কলাগাছ নামক স্থানের ৩১ নম্বর সড়কের পাশের এক নীর্জন পল্লীতে। সুখবিলাস ছেড়ে এখানে এসে তিনি নিজের সঞ্চিত অর্থ দিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে তিন বিঘা আবাদী জমি ক্রয় করেন। জমির কিছু অংশের উপর বৃদ্ধ এবং বৃদ্ধাদের থাকার জন্য পাকা ঘর তৈরী করেন। জমির বাকী অংশে চাষা-বাদ শুরু করেন। দারূণ এক নির্জন পরিবেশ। এ বৃদ্ধা আশ্রমের চত্তরে প্রবেশ করলে দেখা মিলে এ আলোকিত জ্ঞানী ও গুণী মানুষ ফাদার ডক্টর র্জজ ম্যানুয়েল’র। নিজের হাতে তৈরী ফুলের বাগান এবং অন্য পাশে সবজীর বাগান। নান্দনীক ও অপরূপ সৌন্দর্য্যে পরিপূর্ণ বাগানটি। পুরো বৃদ্ধা আশ্রমটি দেখতে যেমন পরিপাটি তেমনি এখানকার প্রবীণগণও সেবার মানে খুশি। একেবারে সাদা-মাটা জীবন যাপন করতেন ফাদার। আপাত: দৃষ্টিতে দেখে কখনও মনে হত না যে তিনি একজন ডক্টরেট ডীগ্রীধারী ব্যক্তি। তিনি ছিলেন মাটির মানুষ। গ্রামীন জীবন ছিল তাঁর খুব আপন। কখনও বাগান পরিস্কার করা আবার কখনও ঝোপ-জঙ্গল খেকে খড়ি কেটে আনা। এসব ছিল তাঁর নিত্য কাজের অংশ। সব সময় ছিল তাঁর চেষ্টা, আশ্রমের বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের জীবনে কীভাবে হাসি ফোটানো যায়। এসব নিয়েই সদাই ব্যস্থ থাকতেন তিনি। স্থানীয়রাও তাঁকে সহযোগিতা করতেন কিন্তু অনেক সময় বেশ কিছু স্থানীয় বখাটেরা এ আশ্রমে নানাভাবে অত্যাচর ও হেনেস্তা করার চেষ্টা করতেন। এমনকী নোংরা দ্রব্যাদি গেটের সামনে রেখে আসতেন। তাতেও ফাদার বিচলিত হতেন না। ধীরে ধীরে  এ বৃদ্ধা আশ্রম স্থানীয়সহ অনেক মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেয়। প্রধান সহযোগী হিসাবে কাজ করতেন রোববার সাহিত্য আড্ডার কবি ও সাংবাদিক সুশান্ত নন্দী। এভাবে অনেকেই এগিয়ে এসে ফাদারের এ ভালো কাজের পাশে দাঁড়ায়। ফাদারের বয়স বাড়তে থাকে এবং তিনি কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। তাঁর দুটি কিডনিই নষ্ট হয়ে পড়ে। এক বছর ধরে ডায়ালিসিস চলছিল। শারীরিক এ যন্ত্রনার মাঝেও গত ২০১৭খ্রি: ২মে তাঁর সাথে কথা হলে তিনি হাসিমুখে বলেন, ঈশ্বরকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমাকে এ যন্ত্রনা উপহার দেবার জন্যে। এ উপহার না পেলে আমি মানুষের যন্ত্রনা কী তা বুঝতে পারতাম না।

এ বৃদ্ধা আশ্রমে তিনি নিজে থেকে বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের সেবাই নিজের জীবন উৎসর্গ করে দিয়েছেন। তিনি কখনও কারোর কাছ থেকে এ আশ্রম চালানোর জন্য অর্থ গ্রহন করতেন না। তবে কেউ যদি কিছু দিতে চাইতো তা খাদ্য কিনে দিত। সেটা তিনি গ্রহন করতেন। তিনি ৭অক্টোবর, ২০১৭খ্রি: মধ্যরাতে এক দূরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে চলে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে ওই পল্লীতে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে।

 

তিনি রেখে গেছেন এ জনপদে তাঁর ভালোবাসা দিয়ে গাঁথা বৃদ্ধদের জন্য এ অভয় আশ্রম। নীর্জন এ মনোরোম পরিবেশে বৃদ্ধারা আজও সেই সেবা পেয়ে যাচ্ছেন। শুধু নেই ফাদার, তিনি চলে গেছেন অনন্তলোকে চির নিদ্রায়। কত পূর্ণিমার রাত পার হয়েছে আর কত গোধুলি পার হয়েছে কিন্তু বৃদ্ধা আশ্রমে যে আজও গোধুলি চোখে পড়ে না। ফাদার চলে যাওয়ার এক বছর পার হয়েছে কিন্তু এখানকার বিষন্নতা আজও কাটিয়ে উঠে নাই আশ্রমে বসবাসরত বৃদ্ধদের। তারা নানা উদবিগ্নতায় দিনাতিপাত করছেন। তাঁর স্মৃতি বিজড়িত এ ওল্ড এজ হোমের উদ্বিগ্নতা দূর করার জন্য এগিয়ে এসেছেন  এবং দৃঢ়তার সাথে এটি পরিচালনা করছেন কলম যোদ্ধা নির্ভীক যুবক কবি ও সাংবাদিক সুশান্ত নন্দী। তাঁর সঙ্গে সহযোগিতায় রয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের (উত্তর দিনাজপুরের) ইসলামপুরের খ্যাতনামা কবি ও গল্পকার নিশিকান্ত সিন্হাসহ আরো অনেকে।

নানা ফেরার দেশে চির নিদ্রায় শায়িত এ আলোকিত মানুষটি নিজের সবটুকু উজাড় করে,যে ভালোবাসা দিয়ে তৈরী করে গেছেন পরিবারে এবং সমাজে অবহেলিত অসহায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের জন্য আবাস স্থল। তা আগামী প্রজন্মের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হিসাবে কাজ করবে। প্রথম মৃত্যু বার্ষিকীতে তাঁর এ মহান ত্যাগকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি।

লেখক: আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন কবি, প্রাবন্ধিক, গল্পকার, সাংবাদিক, গবেষক, সম্পাদক ও প্রকাশক।

October 10,2018

By Syeda Rukhsana Zaman Shanu

সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে বেঁচে আছেন আলোকিত মানুষ ফাদার ডক্টর র্জজ ম্যানুয়েল

http://www.banglatoday24.com/7024

October 09, 2018

By Syeda Rukhsana Zaman Shanu

ধুরন্ধরের রাজ্য

http://timetouchnews.com/news/news-list/11

ধুরন্ধরের রাজ্য //

সৈয়দা রূখসানা জামান শানু

মাকাল ফল কমলা রঙের
দেখতে কতই সুন্দর
গুণের কথা এই ফলের
জানা আছে জনে জনের।

ফলটি যখন পাকে লতায়
চোখ তুলে উপরে তাকায়
ছেলে-মেয়ে, জুয়ান-বুড়া
সব বয়সীর লাগে দোলা।

পাকা ফল নিতেই হাতে
একটু চাপে যাইযে ফেটে
ফাটলে ছড়াই বিশ্রী গন্ধ
ধুরন্ধর বলে আমার রাজ্যে
করলি কেন এমন কান্ড।

প্রধান বিচারালয় এই কথা শুনে
রাত্রি জেগে মহা অনন্দে
ফাইল-পত্তর রেডি করে
রিটের অপেক্ষায় আছে দাঁড়িয়ে।
১০/০৮/২০১৮খ্রি: বুধবার, সাহিত্যাঙ্গন বাংলাদেশ

October 04, 2018

By Syeda Rukhsana Zaman Shanu

নবীন

http://timetouchnews.com/news/news-details/44603

নবীন //

সৈয়দা রুখসানা জামান শানু

(প্রবীণের প্রতি উৎর্সগ)

পরিবার সমাজ স্কুল কলেজ
হে নবীন যেখানেই করো প্রবেশ
তোমাকে সর্বদায় করি বরণ
স্নেহের মায়ায় ভালবাসার আলীঙ্গন
তোমার আগমনে খুশির বন্যা উছলায়
যেন পূর্ণিমার চাঁদকেও হার মানায়।

নতুন ও রঙ-বেরঙের পোষাকে
বড়-ছোট সব বয়সীর ভীড়ে
প্রাণে যে বাজে বেঁচে থাকার স্পন্দন
নবীণের সাথে খাঁটি বন্ধুত্ব করতে চায় মন
পুরাতনের মাঝে নতুনের বাস
কথাটা কী অস্বীকার করা যায়।

চার্লস ব্যবেজের কথাটি অতীত হলো
কোম্পানী, নোকিয়া, এ্যপেল সিম্ফোণী এলো
তাতেই বা কী যায় আসে নবীন
আইডিয়া তো দিয়েছিল প্রবীণ
ছোট করে করি তোমায় অনুরোধ
কাজের ভীড়ে একটু সময় রেখো এ বুড়োর।

মরণের পূর্বে নয়গো আমারটি
দেখে যেতে চাই তোমার কাজের স্বীকৃতি
আর যেন শুনতে না হয় কোন প্রবীণকে
ষাটে আছো বালাই ষাট, থাকো লোয়ার বার্থে।

October 03, 2018

By Syeda Rukhsana Zaman Shanu

কবি শঙ্খ ঘোষ

http://timetouchnews.com/news/news-details/

কবি শঙ্খ ঘোষ //

সৈয়দা রূখসানা জামান শানু

কবি শঙ্খ ঘোষ // সৈয়দা রূখসানা জামান শানু

কবি শঙ্খ ঘোষ এক অমূল্য রত্ন
বাংলা সাহিত্যের একটি নক্ষত্র
বাংলা সাহিত্যের একটি পাতা
তাঁর আশির্বাদ ও সানিধ্য পাওয়া
সেতো পরম সৌভাগ্যের কথা।

কবি শ্যামল সোম সৈয়দ মাজহারূল পারভেজ
কবি সৈয়দা রুখসানা জামান
তাঁর সন্দেশ আমন্ত্রনে আমরা  তিনজন
ছুটে গেলাম  অগ্রজের বাড়ীতে
মিষ্টি আমি খাই না তবুও হলো খেতে
বেশ কয়েক পদের সন্দেশ ছিল প্লেটে।

টেবিলে বাহারী সাজে নানান রকমের ফল
ভীষন সুস্বাদু ছিল সন্দেশ গুলো
মিষ্টি, চা আর গল্পে পেরিয়ে গেল ঘন্টা একটি
এ দূর্লভ সময়কে ক্যামেরায় করলেন বন্দি
বহুমাত্রিক লেখক প্রিয় অগ্রজ
সৈয়দ মাজহারুল পারভেজ ।

October 01, 2018

By Syeda Rukhsana Zaman Shanu